Logo

হরিখালী উচ্চ বিদ্যালয়

আমাদের সম্পর্কে

ইতিহাস

১৯৪৬ সালে রাধা গোবিন্দ রায় বাহাদুর সাহেবের রায়তি রাউত মাল সুরানা ১.৯১ একর জমি দান করেন এবং উক্ত জমিতে রাধা নগর এম ই স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। অতঃপর বিদ্যালয়ের নিজস্ব অর্থায়নে ও গণ্যমান্য ব্যক্তির আর্থিক সহযোগিতায় ক্রয়সহ বিভিন্ন দাতাগণের দানপত্র মূলে বিদ্যালয় আরও ১.৯০ একর জমি লাভ করে, সর্বমোট ৩.৮১ একর জমি রয়েছে। ১৯৪৮ সাল "জিন্নাহ মেমোরিয়াল হাই স্কুল" নামকরণ করে বিদ্যালয়টি স্থাপন করা হয়। অতঃপর ০১.০১.১৯৫১ সালে শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক প্রথম স্বীকৃতি লাভ করে অদ্যাবধি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রূপে চলমান। বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরবর্তী ১৯৭৩ সালে "জিন্নাহ মেমোরিয়াল হাই স্কুল" নাম পরিবর্তন করে "হরিখালী দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়" করা হয়। অতঃপর ১৯৮০ সাল থেকে "হরিখালী উচ্চ বিদ্যালয়" নামে চলমান। ২০১৮ সালে সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের আওতায় সাধারণ শিক্ষা ধারায় কারিগরি শিক্ষায় ফুড প্রসেসিং এন্ড প্রিজারভেশন ও ড্রেস মেকিং দুটি ট্রেড চালু হয়ে এপ্রিল ২০১৯ তারিখে কারিগরি শিক্ষাবোর্ড এর পাঠদানের অনুমতি লাভ করে। ফুড প্রসেসিং এন্ড প্রিজারভেশন ও ড্রেস মেকিং এবং বিজ্ঞান ও মানবিক বিভাগসহ ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ১৭টি শাখা চালু রয়েছে। বর্তমানে শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় ১০০০ জন। পাঠদানে মাল্টিমিডিয়ার যথেষ্ট ব্যবহারসহ বিজ্ঞানাগার, ফুড প্রসেসিং এন্ড প্রিজারভেশন, অ্যাপারেল ম্যানুফেকচারিং বেসিকস ল্যাবসমূহ ব্যবহার যথারীতি চলমান। একটি উপযুক্ত খেলার মাঠ, মনোরম পাঠাগার, উন্নত শৌচাগারসহ বিশুদ্ধ পানির সু-ব্যবস্থা আছে। পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল বরাবরই সন্তোষজনক। প্রতিষ্ঠানটিতে ছায়া সুনিবিড় ও মনোরম পরিবেশ বিদ্যমান। বিদ্যালয়টির সুনাম উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

  • মানসম্মত ও আধুনিক শিক্ষা নিশ্চিত করা
  • নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন নাগরিক তৈরি করা
  • সহ-শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত করা
  • তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তন করা
School Building

প্রধান শিক্ষকের বাণী

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম । পূর্বদিকে যমুনা নদী ও পশ্চিমদিকে বাঙ্গালী নদী; এ দু’নদীর অববাহিকায় ১৯৪৮ সালে তদানীন্তন এ দরীদ্র জনগোষ্ঠীকে শিক্ষিত করার আশায় তৎকালীন সময়ের কিছু সুধীজন এগিয়ে এসেছিলেন এ প্রিয় প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করার জন্য। তৎপরবর্তী থেকে বহু সফল মানুষকে উপহার দিয়েছে এ প্রতিষ্ঠানটি । সে ধারাবাহিকতায় আমরা এখানে শিক্ষকতা করছি। শিক্ষকগণ অত্যন্ত সচেতন । শিক্ষকগণ কর্তব্য ও দায়িত্ব পরায়নতার সাথে শ্রেণি পাঠদান ও জাতীয় দিবস উদযাপণসহ যাবতীয় সহপাঠক্রমিক কার্যাবলী সম্পাদন করে আসছেন। মহান বিজয় দিবস ও স্বাধীনতা দিবসে ডিসপ্লেতে বেশ কয়েকবার উপজেলা সেরা হয়েছে এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। ২০১৫ সালে সেকায়েপ কর্তৃক উপজেলায় মাধ্যমিক পর্যায়ে সেরা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি প্রাপ্ত হয় এ প্রতিষ্ঠান। পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল বরাবরই সন্তোষজনক। ২০১৭,২০১৮,২০১৯ সালে উপজেলায় মাধমিক পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান র্নিবাচিত হয় অত্র প্রতিষ্ঠান প্রধান। দেশের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপিঠগুলিতে অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা কৃতিত্বের সাথে উচ্চশিক্ষা লাভ করছে । একবিংশ শতাব্দির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দক্ষ মানবসম্পদ তেরীতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত ৩টি করে মোট ৯ টি শাখা এবং ৯ম ও ১০ম শ্রেণিতে বিজ্ঞান , মানবিক, ড্রেস মেকিং, ফুড প্রসেসিং ৪টি করে মোট ৮টি শাখা সর্বমোট-১৭টি শাখা চলমান। সুনামের সাথে এগিয়ে চলুক এ প্রিয় প্রতিষ্ঠানটি মহান আল্লাহ্‌ নিকট কামনা করি। আমীন। মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ প্রধান শিক্ষক হরিখালী উচ্চ বিদ্যালয়